দীর্ঘদিন নিষিদ্ব থাকার পর আযান দেয়ার পক্ষে রায় দিলেন জার্মানের উচ্চ আদালত

SIMANTO SIMANTO

BANGLA

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

জার্মানির পশ্চিমের একটি শহরে আজান দেওয়া নিষিদ্ধ করেছিল সে দেশের একটি আদালত। উচ্চ আদালত সেই রায় নাকচ করে আজান দেয়ার পক্ষে রায় দিলেন।
মসজিদে আজান ধর্মীয় অধিকার। রাষ্ট্র সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এবং এই অধিকার অন্য ধর্মের অধিকারেও হস্তক্ষেপ করে না। জানিয়ে দিল জার্মানির একটি আদালত। ২০১৮ সাল থেকে সেখানে আজান নিষিদ্ধ হয়েছিল। বুধবার জার্মানির ওই আদালত জানিয়ে দিয়েছে, সপ্তাহে একদিন যে ভাবে সেখানে আজান দেওয়া হতো, তা আগের মতোই করা যাবে।

জার্মানির শহর মুনস্টার। ২০১৮ সাল নাগাদ সেখানে এক ক্রিস্টান দম্পতি মসজিদে আযান দেয়ার বিপক্ষে অভিযোগ দায়ের করেন । তাঁদের অভিযোগ ছিল, বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি মসজিদ আছে। সেখানে সপ্তাহে একদিন আজান দেওয়া হয়। যা এক কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যায়। তাঁরা ক্রিস্টান, ওই আজানের শব্দ তাঁদের ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ করে। ওই দম্পতির আইনজীবী আদালতে বলেছিলেন, চার্চের ঘণ্টার সঙ্গে মসজিদের আজানের তুলনা চলে না। কারণ, ঘণ্টায় কোনও ধর্মীয় শব্দ থাকে না। কিন্তু আজানে ধর্মীয় বাক্য থাকে। ফলে যে অমুসলিমদের কানে সেই শব্দ পৌঁছাচ্ছে তাঁরা তা শুনতে চান না।

২০১৮ সালে নিম্ন আদালত ওই অভিযোগের ভিত্তিতে রায় দিয়েছিল যে, মসজিদে লাউড স্পিকারে আজান দেওয়া যাবে না। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে স্থানীয় মুসলিম সংগঠন উচ্চ আদালতে গিয়েছিল। বুধবার উচ্চ আদালত জানিয়েছে, আজান দেওয়া অন্যের ধর্মীয় অধিকারে কখনোই হস্তক্ষেপ হতে পারে না। ফলে সপ্তাহে একদিন মসজিদে আজান দেওয়া যেতেই পারে। শুধু তাই নয়, আগে ওই মসজিদে সপ্তাহে একদিন ২ মিনিট ধরে আজান দেওয়া হতো। আদালত জানিয়েছে, ১৫ মিনিট ধরে সেখানে আজান দেওয়া যাবে।

সীমান্তবাংলা / শা ম / ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
সুত্রঃ জার্মান ডি ডব্লিউ সংবাদ সংস্থা