চীনের কারণেই লাদাখে উত্তেজনা, দাবি ভারতের

Mosleh Mosleh

uddin

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০

ঢাকাটাইমস : চীনের আগ্রাসী মনোভাবের কারণেই প্যাংগং ও গালওয়ানের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় উত্তেজনা বেড়েছে। বেড়েছে সংঘাত। দাবি ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের।

লোকসভায় মঙ্গলবার তিনি দাবি করেছেন, ‘ভারত চায় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আলোচনার মাধ্যমে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে। কিন্তু চীন বারবার আগ্রাসনের চেষ্টা চালানোর চেষ্টাই সংঘাত বাড়িয়েছে সীমান্তে।’

ভারত-চীনের সীমান্ত নিয়ে বিতর্কের কথা উল্লেখ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নির্ধারিত হয়েছে, চীন সেটা মানতে চায় না। তার জন্যই লাদাখে আমরা অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।’ভারতীয় সেনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে রাজনাথ বলেন, ‘আমাদের জওয়ানরা বেইজিংকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। আবার যেখানে সংযম দেখানোর দরকার, জওয়ানরা সেখানে সংযম ও ধৈর্য দেখিয়েছে। এই শৃঙ্খলার জন্য শুধু সংসদ নয়, সারা দেশবাসীর ভারতীয় সেনার পাশে দাঁড়ানো উচিত।’

মে মাসের শুরুতে পূর্ব লাদাখে চীনের বিপুল সেনা মোতায়েন এবং তার জেরে ১৫ জুন গালওয়ানে সেনা সংঘর্ষের পর এই প্রথম সংসদের অধিবেশন বসল।

তবে চীনের এই আগ্রাসনের জবাব দিতে ভারতও সেনা ও রসদ মজুদ বাড়িয়েছে বলে জানান রাজনাথ সিংহ। তিনি বলেন, ক্রমাগত আগ্রাসনের চেষ্টা ও স্থিতাবস্থা নষ্ট করার বেইজিংয়ের এই প্রয়াস বিভিন্ন সমঝোতা, চুক্তি ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় নির্দিষ্ট প্রোটোকল বিরোধী। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, ‘আগামী দিনেও সেনা তথা ভারত সরকার সর্বদা যোগ্য জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে।’

সীমান্ত বাংলা ডেস্ক/১৫সেপ্টেম্বর/এড‌মিন ইব‌নে