শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন

এক মাস পর উৎপাদনে ফিরলো ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা

আমার দেশ / ২৩ জন পড়েছে
প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন

প্রায় একমাস বন্ধ থাকার পর সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২ টা ১০ মিনিট থেকে ইউরিিয়া সার উৎপানে আসে ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।

এর আগে গত ৩১ শে মার্চ বিকেল পাঁচটায় গ্যাস সংযোগ দেওয়ার পরকারখানাটির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। যার সংযোগ দেওয়ার ছয় দিনের মাথায় উৎপাদন শুরু হয়।

ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, দেশে চলমান গ্যাস সঙ্কটের কারণে গত ৪মার্চ থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ। ফলে গ্যাস নির্ভর এশিয়ার অন্যতম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সারকারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় দৈনিক প্রায় দুই হাজার আটশত মেট্রিকটন ইউরিয়া উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হয়েছে কারখানাটি। প্রতিটন ইউরিয়া এখন বাজার দর হিসেবে ৯৬ হাজার টাকা। সেই হিসেবে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ থাকায় দৈনিক দুই হাজার আটশত মেট্রিক টনের বাজার মূল্য হিসেবে ১৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা করে দৈনিক আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

এছাড়া কারখানা তৈরির সময় নেয়া লোন পরিশোধ করতে গিয়ে বছরে দিতে হচ্ছে প্রায় ষোল থেকে আঠারোশত কোটি টাকা। যা কারখানার উৎপাদিত ইউরিয়া সার বিক্রি করেই পরিশোধ করা হতো। একমাস বন্ধ থাকার ফলে ঋণ করে ঘাটতি পুরনের মাধ্যমে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন কারখানার ডেপুটি চিপ অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. জালাল উদ্দিন। গত ৪ মার্চ কারখানার উৎপাদন বন্ধ হওয়ার সময় কারখানার গোডাউনে মাত্র ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ ছিল। যা ১ এপ্রিলে এসে মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ব্যাগে ১৮হাজার ৯৮০ মেট্রিক টন এবং খোলা ৯হাজার ৯৬৮ মেট্রিক টন ইউরিয়া।

জানা যায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম পরিবেশবান্ধব ইউরিয়া সার কারখানাটি নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় অবস্থিত। যা প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়। আর ২০২৪ সালের ১১ মার্চে উৎপাদন শুরু করে। সম্পূর্ণ গ্যাসনির্ভর পরিবেশবান্ধব হিসেবে এই সার কারখানার উৎপাদন হয়ে আসছে। এই কারখানটিতে দৈনিক ২ হাজার ৮শ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন। কারখানাটি গত ৪ মার্চ বিকেল ৩টা থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানাটি দৈনিক ২ হাজার ৮শ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার উৎপাদন করার কথা থাকলেও কারখানাটির উৎপাদন বন্ধের আগের ২৪ ঘণ্টায় উৎপাদন হয়েছে ২হাজার ৮শ ৪৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া।

‎কারখানা সূত্রে জানা যায়, কারখানাটি উদ্বোধনের পর থেকে শতভাগ উৎপাদন চলমান ছিল। কারখানাটিতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১/৭২ এমএমসি গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তবে ৫২/৫৩ এমএমসি পরিমাণে গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  
https://youtube.com/@simantobangla1803
এক ক্লিকে বিভাগের খবর