শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে মানুষ

সীমান্তবাংলা ডেস্ক / ৫২৩ জন পড়েছে
প্রকাশ: শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

এ স্বস্তি যেন হতাশায় না রূপ নেয়, সরকারকে স্বচ্ছতা ও সময়মতো নির্বাচন নিশ্চিত করে এক‌টি জবাব‌দিহীতার নির‌পেক্ষ সরকার প্রত‌্যাশা।

সৈরাচারী সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের পরিচালনায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। এই পরিস্থিতিকে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন মানা যায়। দীর্ঘ ১৫ বছরধরে দে‌শের আপা‌মোর জনতার মধ্যে যেসকল দমন-পীড়ন, অবিচার ও ভয়ের পরিবেশ বিরাজ করছিল, তার অবসান ঘটায় মানুষ নতুন করে আশাবাদী ও স্ব‌স্থির নি:শ্বাস ফেল‌ছে।

অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু সাধারণত নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে এবং ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ সুগম করে, এর কার্যক্রম স্বস্তির বার্তা স্ব‌স্থির বার্তা এনে দি‌য়ে‌ছে। ‌হোক ডি‌সেম্বর বা জুন, তবে এ স্বস্তি যেন স্থায়ী হয়। সেজন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নি‌র‌পেক্ষতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে সামনে এগোতে হবে। যা একসময় জনগণ ও সরকা‌রের ম‌ধ্যে এক স্বরণীয় ও সম্মানজনক অধ‌্যায় তৈ‌রি হ‌বে নি:স‌ন্দে‌হে। এমন‌টি প্রত‌্যাশা দে‌শের মানু‌ষের।

এ সরকারের অধীনে দেশে যে স্বস্তির পরিবেশ ফিরেছে, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ভিন্নভিন্ন প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

আ লীগ- সৈরাচারী সরকারকে পতন ঘটা‌নোর মাধ্যমে জনগণের ন্যায্য অধিকার ফিরে এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকার আপাতত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। এটা গণতন্ত্রের বিজয়।
আ লীগ অতীতে একনায়কতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্টায় পঞ্চমুখ ছিল, তাই বি‌শ্লেষকরা এই পরিবর্তনকে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে।

বিএন‌পি- আমরা আশা করি অন্তর্বর্তী সরকার সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবে এবং কোন পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। এই স্বস্তি যেন স্থায়ী হয়, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপি অপেক্ষাকৃত সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের রাজনীতি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হয়।

বামজোট- স্বৈরাচার পতনের পর এখন অন্তর্বর্তী সরকারকে এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরশাসনের আশঙ্কা না থাকে। শুধুমাত্র নির্বাচন নয়, বিচারহীনতা, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণও গুরুত্বপূর্ণ।
বামপন্থীরা কেবল সরকারের পরিবর্তন নয়, কাঠামোগত সংস্কারের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা এ সরকারের মাধ্যমে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গঠনের কথা বলছে।

নাগ‌রিক সমাজ- বর্তমানে যে স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে তা জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার ফল। তবে এই স্বস্তি যেন আবার হতাশায় না রূপ নেয়, তাই সরকারকে স্বচ্ছতা ও সময়মতো নির্বাচন নিশ্চিত করে এক‌টি জবাব‌দিহীতার নির‌পেক্ষ সরকার চায়।

অবসরের পথ ধরে নাগরিক সমাজ চায় অন্তর্বর্তী সরকার কোনো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায় থাকার চেষ্টায় না গিয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করুক।
দে‌শের অ‌নেক জন‌গো‌ষ্টি এটাও বল‌ছে যে, সৈরাচার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে যে স্বস্তি ফিরে এসেছে, তা রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তবে সকলের অভিমত প্রায় একই। এই স্বস্তি যেন স্থায়ী হয়, সেজন্য এ সরকারকে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুসংহত করতে হবে।

লেখক: মোসলেহ উদ্দিন – সম্পাদক : সীমান্তবাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  
https://youtube.com/@simantobangla1803
এক ক্লিকে বিভাগের খবর