উখিয়া উপজেলা সদর রাজাপালং মাছকারিয়া বিলে প্রায় ৩ হাজার একর জমির পাকা আমনধান পানিতে তলিয়ে গেছে। শনিবার আগের রাতে প্রচুর বৃষ্টি হলে কুতুপালং লম্বাশিয়ার বিস্তীর্ণ পাহাড় থেকে পানি এসে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে করে মাছকারিয়া এলাকার প্রায় ৩ হাজার একর পাকা ধান তলিয়ে নষ্ট হয়।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, পাকা আমন ধানগুলো কয়েকদিনের মধ্যে কাটার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্ত শনিবার আগের রাতে বৃষ্টি হলে পাহাড় থেকে নিন্মাঞ্চলে প্রবাহিত পানি বন্যার মত ঢলের রুপ নেয়।
সর্বশেষ রবিবার ২০ এপ্রিল সরেজমিন পরিদর্শণের সময় ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় কৃষকরা জানান, পার্শবর্তী খালটি রোহিঙ্গা বসতির বর্জ্য এসে ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিস্কাশনে বাধগ্রস্থ হয়। যে কারণে প্রায় ৩ হাজার একর পাকাধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ চাষি গফুর জানান, সে এবার ২০ কানির মত আমন চাষ করেছেন। আশানরুপ ফসলও ভাল হয়েছে। কিন্ত দুর্ভাগ্য, শনিবার আগের রাতের বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পানি ও বর্জ্য মাছকারিয়ায় ধানি জমিতে ঢুকে তলিয়ে যায়। সংলগ্ন খালটি বর্জ্য এসে ভরাট হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রসঙ্গত: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরোয়ার জাহান চৌধুরী জানিয়েছেন, ইউএনও সহ তিনি প্লাবিত এলাকাটি পরিদর্শণ করবেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই খালের নিস্কাশন ব্যবস্থা তরান্বিত করার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তা ২লাখ টাকা বরাদ্দ করেছেন। এবং পাকাধান উত্তোলনে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এলাকায় পানি প্রবাহের একমাত্র খালটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বর্জ্য এসে ভরাট হয়ে যায়। ফলে এলাকার বিশাল ধানি ভুমির এ বেহাল অবস্থা। মেম্বার আবদুল হক জানান, রোহিঙ্গা ভিত্তিক সেবা সংস্থার কর্তারা সংস্কার কর্মের নামে অপসংস্কারের নতিজা এটি।