দীর্ঘ দেড় মাস অতিবাহিত হলেও উখিয়া মালভিটা পাড়ার বহুল আলোচিত বলাৎকারের শিকার সিকদারবিল মাদ্রাসাতুন নুর নামক মসজিদের হেফজ বিভাগের ছাত্র মোঃ আশরাফুল (১০) এর ধর্ষক মোঃ ফারুক এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, বিগত ৩০ আগস্ট সকাল অনুমান ১০.৩০ ঘটিকার সময় টাইপালং এলাকার মৃত বদি আলমের ছেলে ধর্ষক মোঃ ফারুক ভিকটিম মোঃ আশরাফুল (১০) কে নাস্তা কিনে দিবে সহ নানা প্রলোভনে ফেলে মোটর সাইকেল যোগে টাইপালং এলাকার বাইতুল বারি জামে মসজিদের ভিতরে নিয়ে গিয়ে কেউ না থাকার সুযোগে মসজিদের জানালা দরজা বন্ধ করে দিয়ে উক্ত ভিকটিম মোঃ আশরাফুলকে জোরপূর্বক বলাৎকার/ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা জাহেদা খাতুন বাদী হয়ে ধর্ষক মোঃ ফারুক এর বিরুদ্ধে উখিয়া থানার মামলা নং— ০৪, তারিখ— ০১/০৯/২০২৫ইং, ধারা— নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) দায়ের করেন। কিন্তু দীর্ঘ দেড় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অজ্ঞাত কারনে ধর্ষক মোঃ ফারুককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। যার কারনে এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অপর দিকে মামলার বাদী অভিযোগ করে বলেন যে, ধর্ষক মোঃ ফারুক এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করার পরেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এখনো পর্যন্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেনি। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন যে, ধর্ষক ফারুক ও তার পরিবারের লোকজন মামলা তুলে নেয়ার জন্য মামলার বাদী ও পরিবারের লোকজনকে প্রকাশ্যে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ কামাল হোসেন সরকারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ধর্ষক ফারুককে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। খুব শীঘ্রই ধর্ষককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় আনা হবে।