চুক্তি সফল হলে লাভ ইরানের, শঙ্কায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন ও ইরানের প্রেসিডেন্টের মধ্যে চুক্তি সই হলো। সমর্থকেরা একে ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ বললেও, মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রতিপক্ষদের কাছে এটি ‘শতাব্দীর অভিশাপ’। এই চুক্তি ইরানকে আরও সুরক্ষিত, বৈধ ও প্রভাবশালী করে তুলতে পারে।
গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে সই করেন, যা তিন মাসের যুদ্ধের অবসান ঘটাল। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভার্সাই প্রাসাদে চুক্তিটি সই হয়। ১৪ দফার এই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি ৬০ দিন বাড়ানো হয়েছে, যাতে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ স্থায়ী সমাধানের আলোচনা করা যায়।
লেবাননের বিশ্লেষক সারকিস নাওম বলেন, ‘এটি একটি মহা সমঝোতা, যেখান থেকে ফেরার পথ নেই। নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত ইরান আর অর্থনৈতিক ধকল সইতে পারছে না, আর ট্রাম্পেরও নতুন যুদ্ধের আগ্রহ নেই।’
একই বিষয়ের আরও খবর