শুক্র. আগস্ট ২৩, ২০১৯

হাজারো ‘প্রিয়া সাহা’ যুক্তরাষ্ট্রে !

মাসুদ আলম : এক ‘প্রিয়া সাহা’কে নিয়ে ব্যস্ত সবাই। অথচ কয়েক হাজার ‘প্রিয়া সাহা’যে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে হাজির হয়েছে সরকারের সত্যি কি কোন নজর আছে সেদিকে? প্রিয়া সাহা নামে একজন বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের যে অভিযোগ এনেছেন, তথ্যে, উপস্থাপনা কৌশল এবং প্রকৃতিতে সেটি খুব জঘন্য মনে হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি এটিকে আমলে না নেন, তাহলে এ বিষয়ে মার্কিন সরকারের কোন পদক্ষেপ থাকবে না। আর যদি আনেন, তাহলে বিষয়টা আমাদের সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে আমি মনে করি।

দেশের কি হবে, তাতে প্রিয়া সাহাদের সত্যি কিছু যায় আসে না। তিনি যে শুধু সংখ্যালঘু, সে কারণে বলছি না। সংখ্যাগুরুরা সুযোগ পেলে যে এর চেয়ে জঘন্য কাজ করেন না, সেটি কিন্তু ঠিক নয়। প্রতিদিনই বাংলাদেশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। প্রতিদিনই প্রিয়া সাহার মতো অনেকের মারাত্মক সব অভিযোগ শুনছে মার্কিন প্রশাসন। আমলে নিচ্ছে।

আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রিয়া সাহা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকতে চাইছেন। তিনি দেশে ফিরবেন না সিদ্ধান্ত নিয়ে একাজ করেছেন। যদি দেশে ফেরার ইচ্ছে থাকতো তার, তাহলে বাংলদেশে এমন নির্যাতনের ঘটনা যদি সত্যিই ঘটে থাকতো, আমি হলফ করে বলতে পারি, তার পর্যায়ের একজন ব্যক্তির পক্ষে এমনটা বলা সম্ভব হতো না। এ কারণে বলছি, প্রিয়া সাহা এদেশে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থনা করবেন।

এখানে এ বিষয়ে যে কড়াকড়ি, সেই আলোকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে কথা বলতে পারার মুহূর্তটা প্রিয়ার জন্য ছিলো সেরা। তিনি সেটা একশ’ ভাগ কাজে লাগিয়েছেন। বাংলাদেশকে তার আর প্রয়োজন নেই মনে করেই তিনি নিজের কাজটুকু করে নিয়েছেন। এখন এদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় পাবার শতভাগ সম্ভাবনা তৈরি হলো তার। প্রিয়া সাহার দুই মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকে।’ সূত্র: সাংবাদিক সোহেল মাহমুদের ফেসবুক থেকে নেয়া

সুত্র- আমাদের সময়.কম

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সর্বশেষ খবর