শনিবার, ১৩ Jul ২০২৪, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন

স্বাধীনতার অর্থ বুঝে তা রক্ষায় কাজ করার আহ্বান

স্বাধীনতার অর্থ বুঝে তা রক্ষায় কাজ করার আহ্বান

মহান বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের জানতে হবে বিজয়ের সঠিক ইতিহাস এবং বুঝতে হবে স্বাধীনতা কি। যে যেখানে আছি সেখান থেকে সবাইকে স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (বাংলাদেশ কারিকুলাম) রিয়াদ আয়োজিত ৪৯তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইং এর কাউন্সিলর মো. মেহেদী হাসান।

সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন এহসানুল রাফিদ আবিদ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন শিক্ষক হাবিবুর রহমান নোমানী।
দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে ৯ম শ্রেণী খ শাখার শিক্ষার্থী আসমা আবেদীন এবং ৮ম শ্রেণী ক শাখার শিক্ষার্থী এহসানুল রাফিদ আবিদ।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোসতাক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদের শ্রম কল্যাণ কাউন্সিলর মো. মেহেদী হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন।

সিনিয়র শিক্ষক খাদেমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ফিন্যান্স ডিরেক্টর আব্দুল হাকিম, কালচারাল ডিরেক্টর শফিকুল সিরাজুল হক, সিগনেটরি প্রকৌশলী গোফরান আহমেদ, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ রিয়াদের (আওয়ামী লীগ) সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযাদ্ধা গোলাম মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মাদবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন রিয়াদ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান চঞ্চল, বিদ্যালয় পরিচালনা সাব কমিটির সাবেক সদস্য আবুল কালাম আজাদ।

এসময় বিআইএসআর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা আরাফাত হাশেম দেওয়ান তানাজসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এমনি এমনি আসেনি, এর জন্য অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্য নতজানু হয়ে আত্মসমপর্ণ করেছে। এই বিজয় অর্জন করতে গিয়ে জীবন গেছে অনেকে তাদের ইজ্জত বিলিয়ে দিয়েছেন। স্বাধীনতার চেতনা লালন করার বিষয় তাবিজে ধরে রাখার বিষয় না। শিক্ষকদের দায়িত্ব হবে স্বাধীনতার সত্য বাণী শিক্ষার্থীদের জানানো।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© কপিরাইট ২০১০ - ২০২৪ সীমান্ত বাংলা >> এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ

Design & Developed by Ecare Solutions