শুক্র. আগস্ট ২৩, ২০১৯

সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া: ‘প্রিয়া সাহার বক্তব্যের গভীর তদন্ত দাবি’

সীমান্ত বাংলা ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ নেত্রী প্রিয়া সাহার নালিশ নিয়ে নিন্দা আর প্রতিবাদের ঝড় বইছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সচেতন মানুষ মাত্রেই এ ঘটনাকে প্রিয়া সাহার সাম্প্রদায়িক উস্কানি, হঠকারী মন্তব্য বলে তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করার কথাও বলেছেন। সাংবাদিক, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এই নিন্দায় শামিল হয়েছেন। সেইসব মন্তব্য থেকে নির্বাচিত ক’জনের মন্তব্য তুলে ধরা হলো-

ড. আসিফ নজরুল
শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রিয়া সাহা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প-এর কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ ধর্মীয় সংখ্যালঘু ‘ডিসএপিয়ার’ (অদৃশ্য/ দেশত্যাগে বাধ্য?) হয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন মুসলিম মৌলবাদীরা এটা করেছে এবং তারা সবসময় রাজনৈতিক শেল্টার পেয়েছে। প্রিয়া সাহার অভিযোগ অবিশ্বাস্য, দুঃখজনক এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতি উস্কানিমূলক।

সরকারের বিষয়টি সিরিয়াসলি নেয়া উচিত। কারণ এতে দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হতে পারে। এ বক্তব্য এমনকি ট্রাম্পের দেশে বাংলাদেশের সাধারণ মুসলমানদের আরো নিরাপত্তাহীনতার আশংকায় ফেলতে পারে।

পীর হাবিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রিয়া সাহার কলঙ্কিত রাষ্ট্রদ্রোহী মিথ্যা অভিযোগের জবাব, অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্তের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দিতে হবে! সরকারকে তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে এই রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কারা জড়িত, কি তাদের উদ্দেশ্য? এটা এসাইলামের জন্য নয়, এসাইলামের জন্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ আনতে হয় না। প্রিয়া সাহার অভিযোগে সম্প্রীতির বাংলাদেশ ঘুরে দেখা মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারও বিস্মিত। তিনি বলেছেন, এখানে এক ধর্মের মানুষ আরেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাখেন। প্রিয়া সাহার অভিযোগ সত্য নয়। যারা গভীর দেশপ্রেমে বিশ্বাসী তারা আর যাই হোক প্রিয়া সাহার বিকৃত জঘন্য মিথ্যাচারের পক্ষে সাফাই গাইতে পারেন না। রাষ্ট্রকে গভীর তদন্ত করতে হবে। আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে। বাংলাদেশ সকল ধর্মবর্ণের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তদানের বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধের ফসল। এখানে ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন হাজার বছরের। এখানে মানুষে মানুষে সম্পর্ক ধর্মের ওপর নয়,আত্মার ওপর।

মিতালী হোসেন, লেখক ও সমাজকর্মী
ধন্যবাদ প্রিয়া সাহা। সামান্য ব্যক্তি স্বার্থের জন্য মাতৃভূমির সম্মানকে লুণ্ঠিত করার যে অনন্য নজির আপনি সৃষ্টি করলেন, সেটা ইতিহাস হয়ে থাকবে। মীরজাফর, ঘসেটি বেগম, জগৎ শেঠরা যুগে যুগে জন্মায়। আপনাকে ধন্যবাদ, আপনি শুধু দেশকে নয়, আপনি অপমান করলেন বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের। কারণ, আপনি জানেন আমরাও জানি বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা আপনার মতো করে ভাবে না।

আশিক হাসান, সরকারি কর্মকর্তা
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার ওভাল অফিসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্যাতিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একজন সংখ্যালঘু মহিলা নিজেকে বাংলাদেশি পরিচিতি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জানায় বাংলাদেশে হিন্দু-বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সর্বমোট ৩৭ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৭০ লাখ ব্যক্তি মহিলার ভাষায় Disappear বা গুম হয়ে গেছে এবং সেই মহিলা আরো জানায় এখনো ১৮ মিলিয়ন সংখ্যালঘু ভীতি নিয়ে বসবাস করছে। মহিলার নিজস্ব ঘরবাড়ি, জমিজমা সবকিছু মুসলিম মৌলবাদী দল কেড়ে নিয়েছে এবং এই কাজে বর্তমান সরকার নাকি সেই মৌলবাদী দলকে পরোক্ষভাবে সাহায্য সহযোগিতা করছে। হতে পারে এই মহিলাটি কোনো কারণে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং কোনো কারণে সে বিচার পায়নি। কিন্তু সে কীভাবে এই মনগড়া মিথ্যা তথ্য ৩৭ মিলিয়ন আর ১৮ মিলিয়নের হিসাব দেয়? এ ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে এ ধরনের তথ্য শুধুমাত্র কি তার নিজস্ব গ্রিনকার্ডের সুরক্ষা পাওয়ার জন্যই কিনা? অথবা এর পেছনে আর কোন আন্তর্জাতিক লবি কাজ করছে তা অতিসত্বর বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দেশের সকল গোয়েন্দা সংস্থাসমূহকে একযোগে খুঁজে বের করার জন্য একযোগে কাজ করা উচিত। এবং এ ধরনের অসাধু উদ্দেশ্যমূলক, বিকৃত তথ্যের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে প্রতিবাদ জানানো উচিত বলে আমি মনে করি। আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডদের তালিকায় যারা সরকারের বিশেষ পর্যায়ে আছেন তাদের কাছে অনুরোধ করছি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলের গোচরে এনে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি, তাই এ ধরনের মিথ্যাচার কোনো ক্রমেই আমাদের কাম্য নয়। এবং এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো, আমাদের সকলের মনে রাখা দরকার এই সংখ্যালঘু মহিলার কথাকে সমগ্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনোভাব বলে এক কাতারে দাঁড় করাবেন না। আমাদের দেশ সকল সম্প্রদায়ের এবং সকলের।

মাসুদুল হাসান রনি, গণমাধ্যম কর্মী
দেশের বাইরে এসে দেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা গর্হিত অন্যায়। প্রিয়া সাহার অভিযোগ খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে! তার এ অভিযোগ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের কোনো উপকারে তো আসবেই না, বরং দেশে অস্থিরতা তৈরি করবে মনে হয়। সহজ সরল মনে প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে যার এত ঘনিষ্ঠতা সে কেন এটা করতে গেল? রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবার পথ সুগম করার জন্য যদি এটা করে থাকেন তবে তার অভিযোগ দেশদ্রোহিতার শামিল বলে বিবেচিত হওয়া উচিত।

শান্তা তৌহিদা শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রমাণ করতে আমরা যারা এক প্রিয়া সাহাকে ঘৃণাবর্ষণ করতে গিয়ে কেউ কেউ গোটা একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে বাক্যবাণে-শব্দবাণে ক্ষতবিক্ষত করেছি, তাদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাই আমার বন্ধু, সহপাঠী, সহকর্মী, প্রতিবেশীদের কাছে। সংখ্যালঘু শব্দকে আমি মনেপ্রাণে ঘৃণা করি। কিন্তু এ সত্য ভুলে গেলে চলবে না যে, সবার আগে দেশ…। এ দেশ তোমার আমার বাংলাদেশ। আর, মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান। আজকের সূর্য জানান দিক, আমরাই বাংলাদেশ… অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ।

কাওসার মাহমুদ, গণমাধ্যম কর্মী
একটু ভালো থাকা,একটু ভালো রোজগার আর তথাকথিত ‘সোনার হরিণ’ ধরার জন্য শুধু প্রিয়া সাহা নয়, আমাদের অনেক হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-মুসলিম ভাই-ভগ্নিগণ যুগে যুগে বাংলাদেশকে অপমান করেছেন, হেয় করেছেন। উন্নত দেশের নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট পেয়ে বাংলাদেশে এসে বলেন, ‘কি যানজটের বাবা এই শহরে? বাংলাদেশে সবাই চোর? দেশটার কোন ভবিষ্যৎ নাই? এরকম মচমচে কথা বলে আবার চলে যান কথিত স্বপ্নের গন্তব্যে। আবার দেশকে হীন করার জন্য মেতে ওঠেন চকচকে ডলার -পাউন্ড এর জন্য। এ জাতীয় অমানুষ আসলে কোনো দেশের নয়, পৃথিবীতে আগমন করেছেন শুধু আলগোছে কিছুদিন উদ্যাপনের জন্য। এ জাতীয় মেরুদ-হীন প্রাণী আর দশটা সাধারণ পশুরমতো খাদ্যের অন্বেষণে এই ডাস্টবিন থেকে অন্য ডাস্টবিনে গন্ধ শুকতে থাকেন। সুখের খোঁজে জীবনের স্বস্তি ভুলে যান। বাংলাদেশ পৃথিবীতে এক অসাধারণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমার দেশে, আমার পরিবারে হাজারো সমস্যা আছে, থাকবে। সমস্যার সমাধান আমরাই খুঁজবো। কিন্তু তাই বলে পাশের বাসার কর্তাকে বলবো না, আসুন আমাদের সমাধান দিন।

হোসেইন জাকী,লেখক ও গবেষক
যুগে যুগে আমরা সাম্রাজ্যবাদের নানা ভঙ্গি ও স্বরূপের সাক্ষাৎ পেয়েছি। সবচেয়ে নিকৃষ্ট অংশ হলো এর সাংস্কৃতিক অংশ। যার আওতায় সাম্প্রদায়িকতাসহ নিত্য নতুন পণ্যের কেনা-বেচা হরদম দেখতে পাওয়া যায়। স্বীয় ভূমিতে শত ভাগ অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ বিদ্যমান থাকার পরও সাম্রাজ্যবাদের এজেন্টরা সাম্প্রদায়িকতা পণ্যটিকে আপনার বিপরীতে সারা বিশ্বের নজরে আনতে সক্ষম হবে! আপনারা যারা সোৎসাহে প্রিয়া সাহার কর্মকা- অবলোকন করছেন, তারা নিশ্চয় জানেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে নালিশ করতে হলে একজন রাষ্ট্রপ্রধানকেও কতটা কাঠ-খড় পোড়াতে হয়! তিনি কেন দেখা করবেন? সেই দেখাতে আমেরিকার কি স্বার্থ? … দীর্ঘ কাল ধরে এরূপ ১০১টা প্রশ্নের উত্তর মিললেই পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সম্মুখে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাহলে প্রিয়া সাহা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের চেয়েও অনেক শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান! তো প্রিয়া সাহার শক্তির সেই উৎস কোথায়? প্রাথমিকভাবে আমরাই প্রিয়া সাহাদের প্রোমোট করি। প্রিয়া সাহাদের সঙ্গে সেলফি তুলে সেটা প্রিয়জনদের বলি বেশি বেশি লাইক, শেয়ার, কমেন্ট করতে। আমাদের লাভ? প্রিয়া সাহাদের সান্নিধ্যকে পুঁজি করে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দোসর হয়ে পদ, পদবি, বিদেশ সফর, পদক, কনসালটেন্সি, টেন্ডার… আরো কত কি। বিশ্বাস না হলে প্রিয়া সাহাদের আশেপাশের তথাকথিত মানুষগুলোকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। মুসলিম হয়ে নিজ ঘরে এরা মূর্তি পূজা দিতে বা সনাতন হয়ে গরু কোরবানি করতে এদের এতটুকুনও কষ্ট হয় না। এদের নিকট ধর্মীয় পরিচয়টা শুধুই ব্যবসার সামগ্রী। দিনশেষে এরা ধান্দাবাজ বৈ অন্য কিছু নয়। এবার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নিয়ে কিছু কথা বলা যাক। স্বাধীনতার পর হতে নব্বই দশকের মধ্যভাগ পর্যন্ত এই পরিষদের প্রয়োজনীয়তা বেশ অনুভব করা যেত। কারণ তখন পর্যন্ত ছলে-বলে-কৌশলে সরকারি প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের যেতে দেয়া হতো না। শত মেধাবী হলেও নয়। ইতিমধ্যে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। সরকারি তথ্য বাতায়নের ১৪/০৮/২০১৮ তারিখের নিম্নোক্ত তথ্যই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ:

– সচিব/সমমর্যাদা ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার ৮১ জন কর্মকর্তাদের মধ্যে ৭ জন; – অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার ৪৭৮ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৭২ জন;

– যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ৭৭৯ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৬৭ জন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী।
বৈষম্য রোধ করে এই অসামান্য সাফল্য পেতে শাসন কার্যে কৌশলগত পরিবর্তন আনয়নের প্রয়োজন হয়েছে বিভিন্ন মাত্রায়।হিসেবে মডেল কান্ট্রি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার শক্ত দাবিদার, তখন এই প্রিয়া সাহারা সমগ্র বিশ্বের নিকট আমাদের রাষ্ট্রকে সাম্প্রদায়িক প্রমাণের জন্য হঠাৎ এত উৎসুক হয়ে পড়লেন কেন? আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারি না চিৎকার, বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিচ্ছি ধিক্কার।

অনিকেত রাজেশ,কবি ও লেখক
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যেকোনো নেতা চাইলেই ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। এটা বোঝার জন্য খুব বেশি জ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই। প্রিয়া সাহা কোন লবি ব্যবহার করে এই সাক্ষাতের সুযোগ পেলেন তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অথবা বিশেষ কারো প্রতিনিধি হিসেবে তাকে আমেরিকায় পাঠানো হয়েছে কিনা সেই প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ। এর পেছনে গভীর কোনো মতলব আছে বলেই ধরে নেয়া যায়। এই মহিলাকে আজকের আগে পর্যন্ত আমি চিনতাম না। চেনার কোনো কারণ বা প্রয়োজন ছিল না বলেই চিনতাম না। যেটুকু জানলাম, যে পরিম-লে তার বিচরণ ও কর্মকা-ের পরিধি বিস্তৃত, তাদের কাউকে কাউকে আমার কাছে দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে বিপজ্জনক বলে মনে হয়। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে এই মহিলার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই। একই সঙ্গে তার পেছনের শক্তি চিহ্নিত হওয়া জরুরি।

সুত্র-আমাদের সময়.কম

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সর্বশেষ খবর