রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক ইয়াবার ফের বৃহত্তর নেটওয়ার্ক!

SIMANTO SIMANTO

BANGLA

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৮, ২০২২

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।

সীমান্ত জনপদ কক্সবাজারের উখিয়ার ক্রাইম জোন রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কুতুপালং। প্রথম ধাপে ৯০ দশকে গুটিকয়েক রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ধেয়ে আসে। আশ্রয় নেয় কুতুপালং এর আসপাশের এলাকায়। একই বছরে আশ্রয় নেয় প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী। পরবর্তীতে শরনার্থীদের শিবিরে আশ্রয় নেয় মায়ানমারের বিশাল কালোবারিদের একটি চক্র। উখিয়া সহ পুরো কক্সবাজারে বেড়ে যায় অবৈধ অস্ত্র ও ডাকাত দলের সংখ্যা। কিছু স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ডাকাতরা মিলে শুরু করে সীমান্তে কালোবাজারি। নানান অপরাধে, হত্যা, গুম, মাদক, চোরাচালান, চাঁদাবাজি সহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প আতংক করে স্থানীয়দের।

ফের ২০১৭ সালে বিশাল রোহিঙ্গা ঢল দেশে আসলে বেড়ে যায় মরণ নেশা ইয়াবা। কুতুপালং ক্যম্পের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি রোহিঙ্গা জিয়াবুল তার ভাই নজিম উদ্দিনের সাথে সখ্যতা গড়ে রোহিঙ্গা শিবিরে অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ করে! বিনিময় ইয়াবা নেয় শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী রাজাপালং ইউনিয়ন
কুতুপালং গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের পুত্র জানে আলম প্রকাশ ইয়াবা জানে আলম ও তার একান্ত সহযোগী লাম্বাশিয়া এলাকার দিলদার। তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসার ভয়াবহ নেটওয়ার্ক।

চিহ্নিত মাদক কারবারি জানে আলমের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে উখিয়া থানায় (এফআইআর নং ১৩/১২৯ অস্ত্র) ( এফআইআর নং ১৪/১৩০ মাদক) সহ দু মামলা রয়েছে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা জিয়াবুলের রয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা মামলা নং- ০৫/২০১৭ইং। তারিখঃ ২৫/৪/২০১৭ইং। ধারা ১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ (১) এর ৯ (খ) তৎসহ বৈদেশিক নাগরিক আইনের ১৪ ধারা।

শীর্ষ এ মাদক কারবারিরা নামে-বেনামে গড়ে তুলছে শত, শত কোটি টাকার সম্পদ। রয়েছে রোহিঙ্গা শিবির ও কুতুপালং এলাকায় ২০/৩০ সদস্যের একটি বাহিনী! ১০ জন কাজ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আর বাকিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে। সম্প্রতি এ শীর্ষ ইয়াবা ও অবৈধ অস্ত্র কারবারি সিন্ডিকেটের প্রধান জানে আলম রোহিঙ্গা শিবির ভিত্তিক অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা সম্প্রসারণ ও দাপুটে করতে কোটি টাকা খরচ করে ভাগিয়ে নেয় কুতুপালং বাজার সমিতির সভাপতির পদ। সূত্রে জানাযায়, এ নির্বাচনে জানে আলমের পক্ষ প্রচাররণা ও ৫০ লক্ষ টাকার মিশনে নেমেছিল রোহিঙ্গা জিয়াবুল ও নজিম উদ্দিনের নেতৃত্ব রোহিঙ্গা অপরাধীদের একটি বৃহত্তর চক্র।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মাদক ও অস্ত্র কারবারি জানে আলম তার সহযোগী দিলদার ও ইয়াবা পার্টনার রোহিঙ্গা জিয়াবুল, নজিম উদ্দিনকে আইনের আওতায় আনা হলে রোহিঙ্গা শিবিরে মাদক ও অস্ত্রের ঝনঝনানির ইতি ঘটবে।