ম‌হেশখাল‌ি‌তে অপরিষ্কার শহীদ মিনার : ভাষা দিবস পালন: ফেইসবু‌কে সমালোচনার ঝড়

SIMANTO SIMANTO

BANGLA

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২

ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান ■ মহেশখালী: ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাকে এ দেশের রাষ্ট্রভাষার দাবিতে এক দাবীর কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, শফিক সহ আরও অ‌নেক। এই শহীদ‌দের রক্তের পথ বেয়ে বাংলায় এ দেশের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি। বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগের দিনটির স্বীকৃতি বিশ্বজুড়েই। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে আনুষ্টা‌নিক স্বীকৃতির পর বাংলা ভাষাবা‌সি প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে শ্রদ্ধা ও মর্যদার সা‌থে পালন ক‌রে আস‌ছে।

একুশের প্রথম প্রহরে মানুষের ঢল নামে মহেশখালীর শিক্ষা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৭টি শহীদ মিনারে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবস পালন হয় ৷ সবার কন্ঠে ছিল ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ এ বাক্যটি সুরে কন্ঠে গেয়ে হাজারো মানুষ যায় শহীদ মিনারে। সেখানে ফুল দিয়ে, শ্রদ্ধা চিত্তে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়।
কিন্তু ছবিতে থাকা মহেশখালীর উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠান থেকে জজ, বিসিএস ক্যাডার, এমবিবিএস ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর, শিক্ষকসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী ও দেশ রক্ষীবাহিনীতে কর্মরত ৷ যে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে আমা‌দের মাতৃভাষা রক্ষায় প্রাণ দি‌য়ে‌ছেন, সে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে অব‌হেলা ‌কোনম‌তেই কাম‌্য নয়। এটা স্থানীয় প্রশাসন, নাগ‌রিক ও সু‌শিল সমা‌জের জন‌্য লজ্জার বিষয়। যারা এ অপ‌রিচ্ছন্ন আ‌ঙ্গিনা প‌রিস্কার ক‌রেন‌নি, তারা কো‌নো অজুহা‌তেই এ দ্বায় এড়া‌তে পা‌রেনা। এ ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উ‌ঠে‌ছে।

একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শ‌র্তে ব‌লেন, সরকার প্রতি‌টি শিক্ষা প্রতিষ্টা‌নে বি‌ভিন্ন সংস্কার কা‌জে অর্থ দি‌য়ে থা‌কে। তাছাড়া সম্ভব না হ‌লে ওই স্কু‌লের প‌রিচালনা ক‌মি‌টির সহায়তা নি‌য়ে ভাষা শহী‌দ বেদী‌তে রংকরা‌নো সহ প‌রিস্কার প‌রিচ্ছন্নতা করা‌নোর এ দ্বায় এড়া‌নো সম্ভব নয়।