শনিবার, ২২ Jun ২০২৪, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
সেন্টমা‌র্টিন দ্বীপ নি‌য়ে বাকযুদ্ধ – মেজর না‌সিরু‌দ্দিন(অব) পিএইচ‌ডি রা‌সেল ভাইপার সা‌পের কাম‌ড়ে আক্রান্ত কৃষক এখ‌নো সুস্থ  রাসেলস ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক না ছড়িয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের এক ছাগল কিনেই বেরিয়ে এলো মতিউর-লাকী দম্পতির থলের বেড়াল ভারতকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে মরিয়া টাইগাররা প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লী পৌঁছেছেন মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কার‌ণে সা‌দে‌শে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়‌ছে- সেতুমন্ত্রী ওবাইদুল কা‌দের  ওমা‌নে খুল‌ছে বাংলা‌দে‌শের তৃতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার এলাকাজুড়ে আতঙ্ক, মানিকগঞ্জে লোকালয়ে ঢুকেছে রাসেল ভাইপার উত্তর পুর্বাঞ্চলীয় রা‌জ্যের স‌ঙ্গে অন‌্যান‌্য রাজ‌্যগু‌লোকে সংযুক্ত কর‌তে বাংলা‌দে‌শের উপর‌দি‌য়ে বিকল্প রেলপথ তৈ‌রি কর‌তে যা‌চ্ছে ভারত সরকার 
বাংলাদেশে বেসামরিক নাগরিকের কাছ থেকে ‘মিলিটারি গ্রেডের’ অস্ত্র উদ্ধার।

বাংলাদেশে বেসামরিক নাগরিকের কাছ থেকে ‘মিলিটারি গ্রেডের’ অস্ত্র উদ্ধার।

 

সম্প্রতি বাংলাদেশের এক বেসামরিক নাগরিকের কাছ থেকে উজি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্বারকৃত অস্ত্রটি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত উজি পয়েন্ট টু-টু বোর পিস্তল বলে তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
এ ব্যপারে পুলিশ বলছে, এ ধরণের অত্যাধুনিক অস্ত্র সাধারণ মানুষের হাতে থাকাটা উদ্বেগজনক। যা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে শিগগিরই চিঠি দেবেন তারা।

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানান, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি সামনে আসার পর, এ সম্পর্কিত আইনে কোন ত্রুটি বা ঘাটতি আছে কিনা সেটি তারা খতিয়ে দেখবেন।

উল্ল্যেখ্য যে, চলতি বছরের অগাস্টে মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে পাওয়া একটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জের ধরে উদ্ধার করা হয় একটি উজি পয়েন্ট টু-টু বোর পিস্তল।

এই অস্ত্র মিলিটারি গ্রেডের উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, বাংলাদেশের বেসামরিক নাগরিকদের এই অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি নেই। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “পুলিশের কাছে যে অস্ত্র আছে, র‍্যাবের কাছে যে অস্ত্র আছে, সাধারণ মানুষের কাছে যদি তার চেয়ে অতিরিক্ত ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র থাকে, তাহলে তো বোঝাই যায় যে উদ্বেগের জায়গাটা কোথায়।

মি. ইসলাম বলেন যে, আইন অনুযায়ী টু-টু বোর অস্ত্র আমদানি বৈধ। কিন্তু অটোমেটিক বা সেমি-অটোমেটিক অস্ত্র মানুষের কাছে বিক্রি করা যাবে না। এই বিক্রির বিষয়টা অ্যাভয়েড করে, তারা অস্ত্র আমদানি করে সাধারন মানুষের কাছে বিক্রি করছে।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মুনীরুজ্জামান বলেন, যে অস্ত্র নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেটি সাব মেশিনগান ক্যাটাগরির একটা অস্ত্র। যেটা সাধারণত ইসরায়েলে তৈরি করা হয়ে থাকে।
তিনি বলেন, এটা যে ধরনের অস্ত্র সেটা জনগণের কাছে থাকার কথা না এবং জনগণের কাছে বিক্রি করারও কথা না। এটার যে ধরনের ক্ষমতা আছে, সেটা একজন সাধারণ ব্যক্তিরও প্রয়োজন হওয়ার কথা না।

আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসায়ীরা বলছেন যে, বৈধ উপায়েই এই অস্ত্র আমদানি এবং খালাস করেছেন তারা। সেই সাথে বৈধ ক্রেতা যাদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমতি সম্বলিত লাইসেন্স রয়েছে, শুধু তাদের কাছে এই অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আগ্নেয়াস্ত্রের একজন ডিলার বিবিসি বাংলাকে বলেন, ক্রেতাদের লাইসেন্স দিয়ে থাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

“অস্ত্র কেনার যে লাইসেন্স সেটা মিনিস্ট্রি অব হোম(স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) থেকে ইস্যু করে এবং স্বয়ং মিনিস্টার এটার রেকমেন্ডেশন না দিলে লাইসেন্স ইস্যু হয় না,” বলেন ওই ডিলার।

অস্ত্র বিক্রেতারা বলছেন, লাইসেন্সধারী ক্রেতাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার পর তা সরকারি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়। সেক্ষেত্রে তাদের কোন দায় নেই।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরণের অস্ত্রের প্রসার রোধ করতে হলে বিদ্যমান আগ্নেয়াস্ত্র আইন বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনে সংশোধন করা উচিত।

পুলিশ বলছে, এই বিষয়টি তারা মন্ত্রণালয়কে জানাবেন এবং অনুমতি পেলে এ ধরণের যতগুলো অস্ত্র আছে সেগুলো তারা জব্দ করবেন এবং সেগুলো কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগারে জমা থাকবে।

( সুত্রঃ বিবিসি বাংলা/ ৩০ অক্টোবর ২০২০)

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© কপিরাইট ২০১০ - ২০২৪ সীমান্ত বাংলা >> এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ

Design & Developed by Ecare Solutions