শনিবার, ২২ Jun ২০২৪, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
সেন্টমা‌র্টিন দ্বীপ নি‌য়ে বাকযুদ্ধ – মেজর না‌সিরু‌দ্দিন(অব) পিএইচ‌ডি রা‌সেল ভাইপার সা‌পের কাম‌ড়ে আক্রান্ত কৃষক এখ‌নো সুস্থ  রাসেলস ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক না ছড়িয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের এক ছাগল কিনেই বেরিয়ে এলো মতিউর-লাকী দম্পতির থলের বেড়াল ভারতকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে মরিয়া টাইগাররা প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লী পৌঁছেছেন মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কার‌ণে সা‌দে‌শে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়‌ছে- সেতুমন্ত্রী ওবাইদুল কা‌দের  ওমা‌নে খুল‌ছে বাংলা‌দে‌শের তৃতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার এলাকাজুড়ে আতঙ্ক, মানিকগঞ্জে লোকালয়ে ঢুকেছে রাসেল ভাইপার উত্তর পুর্বাঞ্চলীয় রা‌জ্যের স‌ঙ্গে অন‌্যান‌্য রাজ‌্যগু‌লোকে সংযুক্ত কর‌তে বাংলা‌দে‌শের উপর‌দি‌য়ে বিকল্প রেলপথ তৈ‌রি কর‌তে যা‌চ্ছে ভারত সরকার 
ফাঁড়ির ইনচার্জসহ চার পুলিশ বরখাস্ত, প্রত্যাহার ৩

ফাঁড়ির ইনচার্জসহ চার পুলিশ বরখাস্ত, প্রত্যাহার ৩

সীমান্তবাংলা ডেক্স : সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ওই ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যাহার করা হয়েছে পুলিশের তিন সদস্যকে।

সোমবার বিকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া ফলাফল বিশ্লেষণ করে তাদের ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তৌহিদ মিয়া, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশীদ।

আর প্রত্যাহার করা তিনজন হলেন এএসআই আশীক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজীব হোসেন।

সোমবার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে হত্যার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।রবিবার ভোরে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে মৃত্যু হয় রায়হান আহমদের। ঘটনার পরপরই ফাঁড়ি পুলিশ গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করে। কিন্তু গণপিটুনিস্থল হিসেবে উল্লেখ করা নগরীর কাষ্টঘর এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় এ রকম কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি। কারও নাম উল্লেখ না করে, শুধু একটি মুঠোফোন নম্বর উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ‘তার স্বামীকে কে বা কারা বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে ‍পুলিশি হেফাজতে রেখে তার হাত-পায়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে এবং হাতের নখ উপড়ে ফেলে। পুলিশ ফাঁড়িতে রাতব্যাপী নির্যাতনের ফলে আমার স্বামী মারা যান। ’

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তাদের আড়াই মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। গত ১১ অক্টোবর ভোর ৪টা ৩৩ মিনিটের দিকে ০১৭৮৩৫৬১১১১ মোবাইল নম্বর থেকে নিহতের মায়ের নম্বরে ফোন যায়। ফোন রিসিভ করেন রায়হানের সৎ বাবা হাবিবুল্লাহ। ফোন রিসিভ করতেই রায়হান বলেন, আমাকে বাঁচাও, টাকা নিয়ে বন্দরফাঁড়িতে আসো। হাবিবুল্লাহ ভোর ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে টাকা নিয়ে ফাঁড়িতে পৌছান। তখন দায়িত্বরত এক কনস্টেবলের কাছে রায়হানের খবর জানতে চাইলে বলা হয় রায়হান ঘুমিয়ে এবং যারা তাকে ধরে এনেছে, তারাও চলে গেছে সকাল সাড়ে ৯টায় আসতে বলা হয়। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় ১০ হাজার টাকা নিয়ে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে যাবার কথা বলেন ওই কনস্টেবল। পুলিশের কথামতো নিহতের শ্বশুর হাবিবুল্লাহ টাকা নিয়ে ফাঁড়িতে গিয়ে রায়হান কোথায় জানতে চাইলে বলা হয়, রায়হান অসুস্থ হওয়ায় তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শ্বশুর হাসপাতালে গিয়ে রায়হানের মরদেহ দেখতে পান।

ঢাকাটাইমস/১২অক্টোবর/এডমিন/ইবনে

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© কপিরাইট ২০১০ - ২০২৪ সীমান্ত বাংলা >> এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ

Design & Developed by Ecare Solutions