পিএমখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে মালেক ও কলিমকে ফাঁসানোর পায়তারা। 

SIMANTO SIMANTO

BANGLA

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩, ২০২২

 

বার্তা পরিবেশক
মোর্শেদ বলী হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে আবারো পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশ উভয়পক্ষের ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে। এদিকে সংঘঠিত ঘটনায় যুবলীগ নেতা আবদুল মালেক ও তাঁর ছোট ভাই শিক্ষানবীশ আইনজীবী কলিম উল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর পাঁয়তারা করছে প্রতিপক্ষ। এমন অভিযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে আবদুল মালেকের পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল মালেক জানান, মোর্শেদ হত্যায় আমি ও আমার ভাই জড়িত নেই। ওইদিন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে আমি ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু তবুও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলার আসামী হলাম। দীর্ঘ ৪ মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে পরিবার নিয়ে শাশুর বাড়িতে বসবাস করছেন তিনি। শুক্রবার তাঁর ভাইসহ লাইট হাউজ ফাতের ঘোনা মসজিদে জুমার নামাজও আদায় করেন। যার ভিডিও ফুটেজ সিসিটিভি ক্যামেরায় সংরক্ষিত আছে। নামাজের পর শশুর বাড়িতে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় পিএমখালীতে সংঘর্ষের ঘটনা শুনতে পাই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র একটি মহল আমি ও আমার ছোট ভাই কলিম উল্লাহকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করছে। লাইট হাউজ ও ফাতের ঘোনার সকল বাসিন্দা অবগত আছেন ঘটনাস্থলে আমরা ছিলাম না। তবুও কুচক্রী মহলটি আমাদের দুই ভাইকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার করছে। এসময় তিনি তাঁর সন্তাদের মাথায় হাত দিয়ে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন না বলে শপথ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল মালেকের ছোট ভাই শিক্ষানবীশ আইনজীবী কলিম উল্লাহ বলেন, আমাদের দুই ভাইকে প্রতিনিয়ত মেরে ফেলার হুমকী দেওয়া হচ্ছে। আমরা শংকিত। পরিবার নিয়ে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যেকোন মুহুর্তে আমাদের উপর হামলা করতে পারে তারা। কিন্তু আমরা সংঘাত চাই। সুষ্ঠুভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচতে চাই। দয়া করে আমাদের বাঁচতে দিন।

আবদুল মালেকের স্ত্রী তাশফিয়া জান্নাত রূপা বলেন, আজ দীর্ঘ ৮ মাস আমরা পিএমখালীতে যেতে পারছি না। আমাদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট করা হয়েছে। কেটে নিয়ে গেছে জমির সব ধান। আমার বাপের বাড়িতে অতিকষ্টে জীবন যাপন করছি। দুইটি ছোট ছোট শিশু সন্তান নিয়ে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছি। আমাদের প্রতি দয়া করুন। আমরা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার। আমরা নিরাপত্তা চাই। আর কোন সংঘাত চাই না। আমরা চাই পিএমখালীতে গিয়ে সবার সাথে মিলেমিশে বসবাস করতে। কারও সাথে শত্রু ও হানাহানি আমরা চাই না। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমরা পুলিশ সুপার, র‌্যাব অধিনায়ক প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।