শনিবার, ১৩ Jul ২০২৪, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

পরিবার পিছু শতভাগ স্যনিটেশন ও পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিৎ করা যেত সেবা সংস্থারা যদি পরিকল্পিত হত ?

পরিবার পিছু শতভাগ স্যনিটেশন ও পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিৎ করা যেত সেবা সংস্থারা যদি পরিকল্পিত হত ?

নুর মোহাম্মদ সিকদার : উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নে রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার। ৯৩ সালের পূর্বে ছিল তার অর্ধেক। বর্তমান জনসংখ্যা ২ লক্ষাধিক। ৮০দশকে ছিল ২০ হাজারের মত পরিবার।শস্যে ভরা এই উখিয়ায় অর্থনৈতিক অবস্থা তেমন ভাল না হলেও খুব একটা অভাব দা‌রিদ্রতা  ছিলনা।
কুপ বা পাত কুপের প্রচলন এক সময় ছিল পাড়া মহল্লার মাঝে। কোথাও রাস্তার মোড়ে। সরকারী টিউব ওয়েলই ছিল পানীয় জলের প্রধান উৎস। গৃ‌হিনীরা সন্ধ্যা হ‌তেই মাটির কলসী কোমরে হালকা বাকাঁ হয়ে হেটে গি‌য়ে পানি সংগ্রহ করত। তখন সব প‌রিবা‌রেই একটা আমেজ ছিল।
এভাবেই চলে ৯০দশক। ৯৩ সালে প্রতিষ্টা লাভ করে জনস্বাস্হ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর। বদলে যায় গ্রামীণ জনতার চিন্তা চেতনা।একটা টিউব ওয়েল চাই। সামর্থবানরা ক্রমশ টিউব ওয়েল স্হাপন করে। ওই পা‌নি চাষাবাদেও ব‌্যবহাররকরে। আসে পল্লী বিদ্যুৎ। বেড়ে যায় টিউব ওয়েলের চাহিদা। অল্পদিনের ব্যবধানে স্হাপিত হয় ১৬৫৩ টির মত স্যলো টিউবওয়েল। মাঝে মাঝে কোথাও কোথাও ডিপ টিউব ওয়েলও বসা‌নো হয়। তারপর উপরের লেয়ারে পানির টান পড়ে, কদর বাড়ে ডিপ টিউবওয়েলের। এ পর্যন্ত স্হাপিত হয় ১১শত টিউবও‌য়েল। তৎমধ্যে ২শত বিকল।
লক্ষনীয় ব্যপার হলো রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আসা আইএন‌জিও‌দের বেশকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশাপাশি গ্রামীন জনগনের মাঝে স্যনিটেশন সহ ওয়াশ প্রোগ্রামের প্রকল্প হাতে নেয়। তবে অপরিকল্পিত অনেকটা মনগড়া। কথিত প্রকল্প ম্যানেজারদের অধিকাংশই যেখানে মন চায় টিউবওয়েল, স্যানিটেশন ও সেখা‌নে গে‌ড়ে ব‌সে। প্রোগামের প্রকল্পের কাজ চ‌লে ধুমধামে। এ অবস্হা পার হ‌য়ে ৩ বছর।
সরকার ও সেবা সংস্থার কর্ম মিলে উপজেলার ৫ ইউপির স্যানিটেশনের পরিসংখ্যানের তথ্যে দিলেন উপজেলার অভিজ্ঞ জনস্বনস্হ্য প্রকৌশলী আল আমিন বিশ্বাস। তিনি আক্ষেপ করে বলেন,  সমন্বয়হীনতাই উখিয়া উপজেলা স্যানিটেশনও ওয়াশ প্রোগ্রামের বিফ‌লের অন্যতম কারন।
এক্ষেত্রে দেখা যায়, জালিয়া পালং এ ৬৫% হলদিয়া পালং এ ৭০% রত্না পালং ৭০% রাজা পালংএ ৭৫% পালংখালী ইউপিতে ৮৫% স্যনিটেশন, ওয়াশ প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে। যা সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিকল্পিত হলে শতভাগ পূর্ণতা লাভ করত। তিনি আরো ব‌লেন, এতদ স্ব‌ত্বেও আশার কথা সার্বিক পরিস্হিতি বিবেচনায় জনস্বার্থে সুলার ডিস্যালাইনেশন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার যাতে করে সুপেয় পানীয় সংকংট নিরসন সহ শতভাগ সুযোগ নিশ্চিৎ হয়।
সীমান্ত বাংলা/১৯সেপ্টেম্বর২০২০

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© কপিরাইট ২০১০ - ২০২৪ সীমান্ত বাংলা >> এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ

Design & Developed by Ecare Solutions