মঙ্গল. জানু. ২২, ২০১৯

নির্বাচনে ইবিএম চাপিয়ে দেয়া হবেনা : সিইসি

সীমান্তবাংলা ♦ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে মানুষের সকল সন্দেহ দূর করার প্রয়োজনীয় কর্মসূচি নিতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

তিনি বলেন, আইনি ভিত্তিতে সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার হলেও তা নিয়ে বাড়তি কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া চলবে না।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে একাদশ জাতীয় সংসদ উপলক্ষে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের টিওটি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিইসি এসব কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইভিএম নিয়ে মানু্ষের মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে। ভোট পবিত্র আমানত। ইভিএম কী তা ভোটাদের জানাতে হবে। ইভিএম ব্যবহারে যোগ্যতা অর্জন, আইনগত ভিত্তি ও ব্যবহার উপযোগী হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে এটি ব্যবহার হবে।

সিইসি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে মানুষের মধ্যে সন্দেহ বা প্রশ্ন থাকবে। কারণ, একজন ব্যক্তি ভোট কোথায় দিলেন, কীভাবে দিলেন, সেটা জানার আগ্রহ তাঁর থাকবে না, সেটা হতেই পারে না। ইভিএম কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেটা জানা না থাকলে তো মানুষের মনে প্রশ্ন থেকেই যাবে। আমরা ইভিএম নিয়ে গেলাম। কিন্তু ভোটার সেটা ব্যবহার করলেন না। এর দোষ কিন্তু ভোটারের ওপর চাপানো যাবে না। ইভিএমের কারিগরি দিক সম্পর্কে ধারণা না থাকলে যন্ত্রটি সম্পর্কে তাঁদের প্রশ্ন থেকেই যাবে। সুতরাং ইভিএম কী, এটার উপকারিতা কী, সে বিষয়ে দেশব্যাপী প্রচার চালাতে হবে।’

নিজেদের সক্ষমতার অতিরিক্ত ইভিএম ব্যবহার করা হবে না জানিয়ে নুরুল হুদা বলেন, ‘ইভিএম আমরা যতটুকু পারব, ততটুকু ব্যবহার করব। অতিরিক্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না।’

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘ইভিএম ব্যবহারে আপনারা যদি সফল হন, আপনারা যদি ইভিএম ব্যবহারের যোগ্যতা অর্জন করেন এবং ইভিএম যদি আইনগত ভিত্তি পায়, তবেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।’

নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান ও পরিচালক (প্রশিক্ষণ) বেলায়েত হোসেন।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করার জন্য এই কর্মশালা। দক্ষতা অর্জন করে নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.