সোম. মার্চ ২৫, ২০১৯

ডিউটিরত পুলিশের ঈদ ?

সীমান্ত বাংলা ♦ সমালোচনার মধ্যেও পুলিশের সেবাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। বাহিনীটির ২৪ ঘণ্টার সতর্ক চোখ আর চেষ্টাতেই স্বাভাবিক আর নিরাপদ জীবন সম্ভব। আর এ কারণে সাধারণের ঈদ পার্বণ আসে না পুলিশের জীবনে।

এই যেন হেলাল উদ্দিন। তিনি পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কাজ করেন। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সতর্ক দৃষ্টি রাখছিলেন যেন কোনো হাঙ্গামা না হয়, যেন কারও নিরাপত্তায় হুমকি না আসে।

সকাল সাত থেকে তার ডিউটি। ঈদের দিন বলে আয়েশ করে ঘুমানোও যায়নি। ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোসল করে নিত্য দিনের পোশাক পরেই তৈরি হতে হয়েছে ঈদগাহে আসার জন্য।

তবে নামাজ পড়তে নয়। সবাই যখন ঈদের নামাজ পড়ছেন তিনি তখন অস্ত্র হাতে পাহারায় ছিলেন হেলাল উদ্দিন।

আর সবার মতোই তারও স্বজনের জন্য মায়া আছে, আছে কাছে যাওয়ার আকুতি, আছে একসঙ্গে বসে ভালোমন্দ খাওয়ার বাসনা।  কিন্তু কি আর করা, পেশাটাই এমন যে এখানে আবেগের স্থান নেই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.