শুক্রবার, ১৪ Jun ২০২৪, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে সম্মাননা পুরস্কার পেলেন একদুয়ারিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদির মৃধা নরসিংদী মডেল কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত আজ শুক্রবার থেকে হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু  যুক্তরাজ্যে জেনারেটিভ এআই ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮০ ভাগ কিশোর  টেকনাফে ১ যুবককে কুপিয়ে হত্যা  রো‌হিঙ্গ‌া ভোটা‌র জান‌তে চায় হাইকোর্ট চার সব‌জি‌তে মি‌লে‌ছে ক‌্যান্সার প্রতি‌রোধক উপাদান  নরসিংদীতে নসিমন ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু আইএফআইসি ব্যাংকের সিন্দুক ভেঙ্গে ৩০ লাখ টাকা লুট নরসিংদীতে অটিজম আক্রান্ত শিশুদের জেলা প্রশাসকের জন্মদিন পালন
গার্মেন্টসের স্টাফ বাসের আড়ালে ডাকাতি!

গার্মেন্টসের স্টাফ বাসের আড়ালে ডাকাতি!

সীমান্তবাংলা ডেক্স : বাসে করে ধামরাইয়ের এএকএইস ফ্যাক্টরির স্টাফদের আনা-নেয়া করতেন লালন সরকার ও আলমগীর। কিন্তু রাতের আঁধারে সুযোগ বুঝে ফাঁকে বাসে যাত্রী তুলে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিতেন তারা।

সাভারের ধামরাই ও ঘিওর এলাকা থেকে এদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। জব্দ করা হয়েছে ডাকাতিতে ব্যবহৃত বাসটি। আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে রাতে বাসে করে ডাকাতি করার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তারকৃতরা।

মামলার তথ্য থেকে জানা যায়, গত ২৪ জুলাই মধ্যরাতে গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি অফিস স্টাফ লেখা বাসে ওঠেন মাইদুল ইসলাম। বাসে ওঠার পরই বাসচালকসহ ৭-৮ জন লোক তার হাত,পা বেঁধে বাসের মধ্যে মারধর শুরু করে। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাইদুলের মোবাইল, সঙ্গে থাকা কাপড় চোপড়, নগদ টাকা এবং বিকাশে থাকা টাকাসহ প্রায় ৫৬ হাজার টাকা লুটে নেয়। পরে তাকে হাত, পা বেঁধে রক্তাক্ত অবস্থায় সাভারের তুরাগ নদীর তীরে রিকু ফিলিং স্টেশনের কাছে ফেলে বাস নিয়ে পালিয়ে যায়।

২৫ সেপ্টেম্বর মাইদুল ইসলাম সাভার থানায় অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনকে আসামি করে ডাকাতি মামলা করেন। মামলা নম্বর-৫৬। মামলাটি পিবিআই স্বউদ্যোগে ঢাকা জেলার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সালেহ ইমরানকে তদন্তের ভার দেয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সালেহ ইমরান ঢাকা টাইমসকে বলেন, গত কোরবানির ঈদের কিছুদিন আগে এই গ্রুপটি গার্মেন্টসের স্টাফ বাস নিয়ে ডাকাতিতে নামে। মূলত গার্মেন্টস ছুটির পর শ্রমিকদের পৌঁছে দিয়ে মধ্যরাতে তারা এই কাজটি করে। লালন সরদার বাসটি চালাতেন। বৃহস্পতিবার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

লালনের বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওর থানায় আর আলমগীরের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও বলেন, লালনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধামরাই থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বাস এবং সহযোগী আলমগীর নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিন দিনের রিমান্ডে এনে লালনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

লালন ও আলমগীরের দেয়া জবানবন্দি থেকে জানা যায়, এই ঘটনায় পলাতক অন্যান্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক ডাকাতির ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকাটাইমস/৩১অক্টোবর/এডমিন/ইবনে

সংবাদটি শেয়ার করুন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© কপিরাইট ২০১০ - ২০২৪ সীমান্ত বাংলা >> এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ

Design & Developed by Ecare Solutions