শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা নেমে ১২ ডিগ্রিতে নোয়াখালীতে গভীর রাতে বিআরটিসির ২ বাসে আগুন অন্তর্বর্তী সরকার বৈধ, হাইকোর্টের রায় বহাল আপিল বিভাগের আলীকদমে বুলুপাড়ায় বিজিবি প্রাথমিক বিদ্যালয় উদ্বোধন করেছেন লেঃ কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, নতুন ৭১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা রাতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির সাক্ষাৎ মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জামায়াতের ঢাবির পর বন্ধ হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮ ‎জোয়ারিয়ানালায় সর্বপ্রথম বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পন্ন হয়।

করিডর ইস্যুতে একাট্টা প্রায় সব দলই, নিজেদের বোঝাপড়ার পর সিদ্ধান্তের তাগিদ

মাহফুজ মিশু / ৩২ জন পড়েছে
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

দেশের রাজনীতিতে গেল কদিন ধরেই আলোচনা মানবিক করিডর ইস্যুতে। বলা হচ্ছে, রাখাইনে জাতিসংঘের ত্রাণ পাঠাতে দেশের ভূমি ব্যবহারে সম্মত সরকার।

এ জায়গাতেই আপত্তি রাজনৈতিক দলগুলোর। আলাপ-আলোচনা ও ঐকমত্য ছাড়া তাড়াহুড়া করে করিডর দেয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক দলগুলো। নেতারা বলছেন, রাখাইনের বাস্তব পরিস্থিতি জেনেবুঝে করিডরের বহুমাত্রিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি।

বিষয়টি নিয়ে যমুনা টেলিভিশন কথা বলে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই উপকার করতে গিয়ে অন্য কারও ক্ষতি করতে যাওয়া মোটেও ঠিক হবে না। এটা বাংলাদেশের জনগণও মানবে না। দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কথা বলে ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষয়টি সুরাহা করা উচিত।

আলোচিত এই করিডরের ধরণ, নিরাপত্তা কারা দেবে, এটি নিয়ে চীন-ভারতসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর মনোভাব অনেককিছুই স্পষ্ট নয় এখনও। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তা নিয়ে জনগণের মনোভাব বোঝা আবশ্যক ছিল বলেও মনে করেন নেতারা।

এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, এটি ‘সামরিক করিডর’ হয়ে যায় কিনা, তা দেখতে হবে। তাই নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত কার্যকরের কোনো সুযোগ নেই।

একইরকম শঙ্কা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নারও। তিনি প্রশ্ন করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কার সাথে কথা বলে এমন সিদ্ধান্ত নিলো? এমন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত এত জলদি করে তারা নিলো কীভাবে?

এই করিডর দেয়া হলে সেটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে ভূমিকা রাখতে পারে কিনা, সেটিও বুঝতে চান নেতারা। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তা জনগণের জানা থাকা দরকার। তাহলে জনগণ সে সব সিদ্ধান্তের সঙ্গে থাকবে।

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদও এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংশ্লিষ্টতার ওপর গুরুত্ব দেন। বলেন, সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিতে হবে সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে।

রাজনৈতিক নেতাদের মতে, এমন উদ্যোগের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আরও ঝুলে যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশে থাকা ১৫ লাখ রোহিঙ্গার কাউকেই ফেরত পাঠানো যায়নি গেল আট বছরে। বরং এখনও প্রায়ই শতশত রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসছে বাংলাদেশে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  
https://youtube.com/@simantobangla1803
এক ক্লিকে বিভাগের খবর