বৃহস্পতি. নভে. ১৫, ২০১৮

উখিয়ার সন্তান সাইফুল্লাহ মকবুল মোরশেদ দুলাল বাংলাদেশ বিনিযোগ ও উন্নয়ন বোর্ডে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পেলেন

সীমান্তবাংলা © কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ঘিলাতলী গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযুদ্ধা বি.কম আলী আহমদ সিকদারের একমাত্র সন্তান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মকবুল মোর্শেদ দুলাল অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদোন্নতি হওয়ায় কক্সবাজারবাসী গর্বিত।

মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মকবুল মোর্শেদ উখিয়া উপজেলার ঘিলাতলীস্থ ওয়ালাপালং গ্রামে ০১ জানুয়ারি ১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন।  শিক্ষা জীবনের শুরুতে উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণী পাশ করেন। পরবর্তিতে উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়) থেকে ১৯৭৭ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি  পাশ করেন। এরপর কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি (বিজ্ঞান) এবং ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২য় শ্রেণীতে ১ম স্থান অর্জন করে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে বি.কম পাশ করেন।

১৯৮৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.কম পাশ করে ১৯৮৪ সালে বিসিএস (প্রশাসন) এ কৃতিত্বের সাথে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে ১৯৮৬ সালে জানুয়ারি তে মুন্সিগঞ্জ উপজেলার ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন।

১৯৮৬ থেকে ১৯৮৯ এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বরত ছিল এবং ১৯৮৭ সালের নভেম্বর থেকে ১৯৮৭ অক্টোবর পর্যন্ত রাজনগর মৌলভী বাজার সদর উপজেলার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৮৮৯ এর সেপ্টেম্বর হইতে ১৯৯১ এর এপ্রিল পর্যন্ত মৌলভীবাজার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ এর এপ্রিল হইতে ১৯৯৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সদরে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৪ ডিসেম্বর হইতে রাঙামাটি জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে ১৯৯৭ এর এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ এর এপ্রিল হতে ১৯৯৮ এর মার্চ পর্যন্ত লক্ষীপুর সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে ১৯৯৮ মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৮ মার্চ হতে ১৯৯৯ জানুয়ারী পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়ায় দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৯ জানুয়ারি হতে ২০০১ আগষ্ট পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলার মানিক ছড়ি উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ আগষ্ট হতে ২০০৩ মে পর্যন্ত জেলা পরিষদ সচিব, কুমিল্লা জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ মে হতে ২০০৬ মে পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে কুমিল্লায় নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সেখানে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় ২০০৫ সালে উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি হয়। ২০০৬ মে হতে ২০০৮ আগষ্ট পর্যন্ত পরিচালক হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সেখানে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৮ আগষ্ট হতে ২০০৯ মার্চ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে ফেনীতে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সেখানে থেকে ২০০৯ এপ্রিল হতে ২০১১ পর্যন্ত সচিব প্রবাটর্নিন কমিশন প্রধান মন্ত্রী কার্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হন ২০১১ এপ্রিল হতে ২০১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং ২০১২ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৫ মার্চ পর্যন্ত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ ও প্রশাসন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ০৬/০৪/২০১৫ ইং যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। পদোন্নতি হওয়ার পরেও ১০/১২/১৭ ইং পর্যন্ত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্ব পালন করেন এবং ১০/১২/১৭ ইং তে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ হতে অদ্যাবধি বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.